ক্ষণ–বি.
১. কালের অংশবিশেষ, এক মুহূর্তের ১২ ভাগের এক ভাগ, ৪ মিনিট;
২. অতি অল্প সময় (ক্ষণকালও বিলম্ব যেন না হয়);
৩. সময় (বহুক্ষণ আগে);
৪. বিশেষ কাল (শুভক্ষণ)। [সং. √ ক্ষণ্ + অ]।
ক্ষণকাল–বি. অতি সামান্য সময়।
ক্ষণচর–বিণ. অল্পকাল বিচরণকারী; অল্পকালস্হায়ী।
ক্ষণজন্মা (-ন্মন্)–বিণ.
১. শুভ মুহূর্তে জাত;
২. ভাগ্যবান;
৩. অসাধারণ গুণসম্পন্ন (ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ)।
ক্ষণদা–বি. রাত্রি।
ক্ষণদ্যুতি–বি. বিদ্যুত্।
ক্ষণপূর্বে–ক্রি-বিণ. একটু আগে, এক মুহূর্ত আগে।
ক্ষণপ্রভা–বি. বিদ্যুত্, বিজলি।
ক্ষণভঙ্গুর–বিণ, অল্পকালের মধ্যেই ভেঙে যায় বা নষ্ট হয় এমন।
ক্ষণস্হায়ী (-য়িন্)–বিণ. বেশিক্ষণ থাকে না এমন; অল্পকাল থাকে এমন।
ক্ষণিক–বিণ. ক্ষণস্হায়ী (ক্ষণিক আমোদে মত্ত);
বি. ক্ষণকাল (‘ক্ষণিকের অতিথি’: রবীন্দ্র)।
ক্ষণে–ক্রি-বিণ. মুহূর্তের ব্যবধানে; এক সময়ে (‘ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণে চাঁদ’)।
ক্ষণে ক্ষণে–ক্রি-বিণ. মহুর্মুহু, ঘনঘন; থেকে থেকে (মেঘের চেহারা ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাচ্ছে)।
ক্ষণেক–বি. অতি অল্প সময় (ক্ষণেকের জন্য)।
ক্রি-বিণ. এক মুহূর্তের জন্য (‘দাঁড়াও, ক্ষণেক দাঁড়াও’: রবীন্দ্র)।
ক্ষত [ kṣata ] বি.
১. ঘা (পুরোনো ক্ষত);
২. চোট;
৩. শরীরের আঘাতপ্রাপ্ত স্হান;
৪. ব্রণ।
☐ বিণ.
১. আঘাতপ্রাপ্ত;
২. ছিন্ন।
[সং. √ ক্ষণ্ (=হিংসা) ... [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষতচিহ্ন–বি. ঘা বা আঘাত সেরে যাবার পর যে দাগ থাকে।
ক্ষতবিক্ষত–বিণ. (সর্বাঙ্গ) আঘাতে আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়েছে এমন।
ক্ষতশৌচ–বি. দেহ আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার দরুন অথবা দেহ থেকে রক্তস্রাবজনিত অশুদ্ধি।
ক্ষতস্হান–বি. যে স্হানে আঘাত লেগেছে; যে স্হান ক্ষত হয়েছে (ক্ষতস্হানে ওষুধ লাগানো)।
ক্ষতি [ kṣati ] বি.
১. হানি, অনিষ্ট (শরীরের ক্ষতি, বন্যায় ফসলের ক্ষতি);
২. ক্ষয়, অবক্ষয়;
৩. লোকসান (অনেক টাকার ক্ষতি হয়ে গেল);
৪. ন্যূনতা … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষতিগ্রস্ত–বিণ. ক্ষতি ভোগ করছে এমন; (যার) ক্ষতি হয়েছে এমন।
ক্ষতিপূরণ–বি. লোকসানের মূল্যদান; লোকসান পুষিয়ে দেওয়া।
ক্ষতিবৃদ্ধি–বি. লাভ-লোকসান (তার সাহায্য না পেলেও এমন কিছু ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না)।
ক্ষতিসাধন–বি. অনিষ্ট।
ক্ষত্তা [ kṣattā ] (-ত্তৃ) বি.
১. ক্ষত্রিয়া বা বৈশ্যা নারীর গর্ভে শুদ্রের ঔরসজাত সন্তান;
২. সারথি;
৩. দাসীপুত্র;
৪. বিদুর।
[সং. √ ক্ষদ্ + তৃ ... [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষত্র [ kṣatra ] বি. ক্ষত্রিয় জাতি।
[সং. ক্ষত্ + √ঐ + অ]।
ক্ষত্রকর্ম–বি. ক্ষত্রিয়ের পক্ষে উচিত কর্ম, ক্ষত্রিয়ের যোগ্য কাজ।
ক্ষত্রতেজ–বি. ক্ষত্রিয়ের পক্ষে যোগ্য পরাক্রম।
ক্ষত্রধর্ম–ক্ষত্রিয়ের পালনীয় ধর্ম; … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষত্রকর্ম–বি. ক্ষত্রিয়ের পক্ষে উচিত কর্ম, ক্ষত্রিয়ের যোগ্য কাজ।
ক্ষত্রতেজ–বি. ক্ষত্রিয়ের পক্ষে যোগ্য পরাক্রম।
ক্ষত্রধর্ম–ক্ষত্রিয়ের পালনীয় ধর্ম; (ক্ষত্রিয়ের) সাহস, পুরুষকার বীরত্ব ইত্যাদি।
ক্ষত্রবন্ধু–বি. অপকৃষ্ট ক্ষত্রিয়।
ক্ষত্রিয় [ kṣatriẏa ] বি.
১. হিন্দু চতুর্বর্ণের দ্বিতীয় বর্ণ;
২. ক্ষেত্রী বা ছত্রী জাতি।
[সং. ক্ষত্র + ইয় (স্বার্থে)]।
ক্ষত্রিয়া, ক্ষত্রিয়াণী–বি. (স্ত্রী.) ক্ষত্রিয়জাতীয়া নারী।
ক্ষত্রিয়ী–বি. (স্ত্রী.) ক্ষত্রিয়ের … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষত্রিয়া, ক্ষত্রিয়াণী–বি. (স্ত্রী.) ক্ষত্রিয়জাতীয়া নারী।
ক্ষত্রিয়াণী, ক্ষত্রিয়া–বি. (স্ত্রী.) ক্ষত্রিয়জাতীয়া নারী।
ক্ষত্রিয়ী–বি. (স্ত্রী.) ক্ষত্রিয়ের পত্নী।
ক্ষপণক [ kṣapaṇaka ] বি.
১. বৌদ্ধ সন্ন্যাসী সম্প্রদায়বিশেষ;
২. মহারাজ বিক্রমাদিত্যের ‘নবরত্নে’র অন্যতম।
[সং. √ ক্ষপ্ + অন + ক (স্বার্থে)]।
ক্ষপা [ kṣapā ] বি. রাত্রি।
[সং. √ ক্ষপি (কর্মপ্রচেষ্টা ক্ষয় করানো) + অ + আ]।
ক্ষপাকর–বি. চাঁদ।
ক্ষপাকর–বি. চাঁদ।
ক্ষম [ kṣama ] বিণ.
১. ক্ষমতাবান, সমর্থ, পারগ (কর্মক্ষম, অক্ষম, উপার্জনক্ষম);
২. যোগ্য, উপযুক্ত (স্পর্শক্ষম উত্তাপ)।
[সং. √ ক্ষম্ + অ]।
ক্ষমতা [ kṣamatā ] বি.
১. শক্তি, সামর্থ্য (শারীরিক ক্ষমতা, ওজন তোলার ক্ষমতা);
২. যোগ্যতা;
৩. পটুতা, কর্মদক্ষতা, নৈপুণ্য;
৪. প্রভাব, আধিপত্য (রাজকীয় ক্ষমতা, রাজনৈতিক … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষমতাচ্যুত–বিণ. ক্ষমতা চলে গেছে এমন।
ক্ষমতাবতী–স্ত্রী. ক্ষমতাবান।
ক্ষমতাশালিনী–স্ত্রী. ক্ষমতাশালী।
ক্ষমতাসীন–বিণ. শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত, (যার) হাতে শাসনক্ষমতা রয়েছে এমন।
ক্ষমা [ kṣamā ] বি.
১. সহিষ্ণুতা, সহ্যগুণ, তিতিক্ষা;
২. অপরাধ মার্জনা (ক্ষমা করে দিলাম) ;
৩. অপকার বা ক্ষতি সহ্য করা;
৪. নিবৃত্তি (এবার … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষমাগুণ, ক্ষমাধর্ম–বি. ক্ষমা করার শক্তি বা মানসিকতা।
ক্ষমাঘেন্না–বি. দোষ মার্জনা করা ও দয়া দেখানো।
ক্ষমাধর্ম, ক্ষমাগুণ–বি. ক্ষমা করার শক্তি বা মানসিকতা।
ক্ষমাবতী–স্ত্রী. ক্ষমাবান।
ক্ষমার্হ–বিণ. ক্ষমার যোগ্য।
ক্ষমী (-মিন্) বিণ. সহিষ্ণু, ক্ষমাশীল; সমর্থ।
ক্ষর [ kṣara ] বি.
১. ক্ষরণ, নিঃসরণ;
২. নাশ, ধ্বংস।
☐ বিণ.
১. ক্ষরিত হয় এমন;
২. নশ্বর;
৩. ভঙ্গুর।
[সং. √ ক্ষর্ (সঞ্চালনে) + অ]।
ক্ষরণ–বি. … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষরণ–বি. নিঃসরণ, ফোঁটায় ফোঁটায় পড়া বা বেরোনো; চুইয়ে পড়া; স্যন্দন, exudation; নাশ।
ক্ষরিত–বিণ. নিঃসৃত; চুইয়ে পড়েছে এমন।
ক্ষরী (-রিন্)–বিণ. ক্ষরণশীল; চুইয়ে পড়ে এমন।
ক্ষাত্র [ kṣātra ] বিণ. ক্ষত্রিয়সম্বন্ধীয়; ক্ষত্রিয়োচিত (ক্ষাত্রধর্ম)।
☐ বি. ক্ষত্রিয়ের কর্ম ধর্ম বা শক্তি, ক্ষত্রিয়ত্ব।
[সং. ক্ষত্র + অ]।
ক্ষাত্রধর্ম–বি. ক্ষত্রিয়ের পালনীয় কর্তব্য-যথা যুদ্ধ, দেশরক্ষা, বিপন্নকে উদ্ধার … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষাত্রধর্ম–বি. ক্ষত্রিয়ের পালনীয় কর্তব্য-যথা যুদ্ধ, দেশরক্ষা, বিপন্নকে উদ্ধার প্রভৃতি (তু. chivalry)।
ক্ষাত্রবল, ক্ষাত্রশক্তি–বি. ক্ষত্রিয়োচিত যুদ্ধ করার ক্ষমতা; ক্ষত্রিয়ের সামর্থ্য বা ক্ষমতা।
ক্ষাত্রশক্তি, ক্ষাত্রবল–বি. ক্ষত্রিয়োচিত যুদ্ধ করার ক্ষমতা; ক্ষত্রিয়ের সামর্থ্য বা ক্ষমতা।
ক্ষান্ত [ kṣānta ] বিণ.
১. নিরস্ত, নিবৃত্ত; বিরত (ক্ষান্ত হও, এই যুদ্ধ বন্ধ করো);
২. সহিষ্ণু, ক্ষমাশীল।
[সং. √ ক্ষম্ + ত]।
ক্ষান্ত দেওয়া–ক্রি. বি. নিবৃত্ত … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষান্ত দেওয়া–ক্রি. বি. নিবৃত্ত হওয়া (‘ক্ষান্ত দে মা, শান্ত হ মা’: রবীন্দ্র)।
ক্ষান্তি–বি. সহিষ্ণুতা, সহ্যগুণ; নিবৃত্তি; বিরতি (বৃষ্টির ক্ষান্তি নেই)।
ক্ষার [ kṣāra ] বি. সাজিমাটি যবক্ষার সোরা ক্ষারীয়লবণ সোডা চুন প্রভৃতি; লকালি, alkali
[সং. √ ক্ষর্ + অ]।
ক্ষারজল–বি. ক্ষারমিশ্রিত জল, লোনা জল।
ক্ষারধাতু–বি. যার অম্লজানজারিত অবস্হা … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষারজল–বি. ক্ষারমিশ্রিত জল, লোনা জল।
ক্ষারধাতু–বি. যার অম্লজানজারিত অবস্হা ক্ষার, alkali metal.
ক্ষারমিতি–বি. যে বিদ্যার বলে ক্ষারের পরিমাণ হিসাব করা যায়, alkalimetry.
ক্ষারমৃত্তিকা–বি. সাজিমাটি, লোনাজমি, alkaline earth.
ক্ষারিত [ kṣārita ] বিণ.
১. স্রাবিত, গলানো হয়েছে এমন;
২. অপবাদগ্রস্ত;
৩. দূষিত।
[সং. √ ক্ষর্ + ণিচ্ + ত]।
ক্ষারীয় সন্ধান–বি. ক্ষার সহযোগে গাঁজন, alkaline fermentation.
ক্ষালন [ kṣālana ] বি.
১. প্রক্ষালন, ধোয়া (পদক্ষালন);
২. শোধন, মোচন (পাপক্ষালন)।
[সং. √ ক্ষল্ + ণিচ্ + অন]।
ক্ষালিত–বিণ. ধৌত, শোধিত, পরিমার্জিত; দূরীকৃত।
ক্ষালিত–বিণ. ধৌত, শোধিত, পরিমার্জিত; দূরীকৃত।
ক্ষিতি [ kṣiti ] বি.
১. পৃথিবী;
২. মাটি, ভূমি (ক্ষিতিতল)।
[স. √ ক্ষি + তি]।
ক্ষিতিজ–বিণ. ভূমিজাত; পৃথিবীতে জাত।
☐ বি.
১. মঙ্গলগ্রহ;
২. চক্রবাল, horizon (বি.প.)।
ক্ষিতিধর, … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষিতিধর, ক্ষিতিভৃত্–বি. পর্বত।
ক্ষিতিনাথ, ক্ষিতিপ, ক্ষিতিপতি, ক্ষিতিপাল, ক্ষিতীশ–বি. পৃথিবীর অধিপতি; রাজা।
ক্ষিতিপ, ক্ষিতিপতি, ক্ষিতিপাল, ক্ষিতীশ, ক্ষিতিনাথ–বি. পৃথিবীর অধিপতি; রাজা।
ক্ষিতিপতি, ক্ষিতিপাল, ক্ষিতীশ, ক্ষিতিনাথ, ক্ষিতিপ–বি. পৃথিবীর অধিপতি; রাজা।
ক্ষিতিপাল, ক্ষিতীশ, ক্ষিতিনাথ, ক্ষিতিপ, ক্ষিতিপতি–বি. পৃথিবীর অধিপতি; রাজা।
ক্ষিতিভৃত্, ক্ষিতিধর–বি. পর্বত।
ক্ষিতীশ, ক্ষিতিনাথ, ক্ষিতিপ, ক্ষিতিপতি, ক্ষিতিপাল–বি. পৃথিবীর অধিপতি; রাজা।
ক্ষিপ্ত [ kṣipta ] বিণ.
১. নিক্ষিপ্ত, ছুড়ে ফেলা হয়েছে এমন;
২. বিক্ষিপ্ত, ছড়িয়ে ফেলা হয়েছে এমন;
৩. উন্মত্ত, পাগল. খ্যাপা (রাগে ক্ষিপ্ত হওয়া)।
[সং. √ ... [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষিপ্তা–স্ত্রী. ক্ষিপ্ত।
ক্ষিপ্যমাণ [ kṣipya-māṇa ] বিণ. নিক্ষিপ্ত হচ্ছে বা ছুড়ে ফেলা হচ্ছে এমন।
[সং. √ ক্ষিপ্ (+ য) + মান (শানচ্)]।
ক্ষিপ্র [ kṣipra ] ক্রি-বিণ. দ্রুতভাবে, দ্রুত, দ্রুততার সঙ্গে শীঘ্র (ক্ষিপ্র কাজ করো)।
☐ বিণ. দ্রুত, ত্বরিত (ক্ষিপ্রগতিতে এগিয়ে গেল)।
[সং. √ ক্ষিপ্ + র]।
বি. ক্ষিপ্রতা।
ক্ষিপ্রকারী (-রিন্)–বিণ. … [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষিপ্রকারিতা–বি. ক্ষিপ্রকারী।
ক্ষিপ্রগতি, ক্ষিপ্রগামী (-মিন্)–বিণ. দ্রুতগামী, দ্রুত চলতে পারে এমন, বেগবান (ক্ষিপ্রগতি ট্রেন)।
স্ত্রী. ক্ষিপ্রগামিনী।
ক্ষিপ্রগামিনী–স্ত্রী. ক্ষিপ্রগামী।
ক্ষিপ্রগামী (-মিন্), ক্ষিপ্রগতি–বিণ. দ্রুতগামী, দ্রুত চলতে পারে এমন, বেগবান (ক্ষিপ্রগতি ট্রেন)।
স্ত্রী. ক্ষিপ্রগামিনী।
ক্ষিপ্রতা–বি. ক্ষিপ্র।
ক্ষীণ [ kṣīṇa ] বিণ.
১. ক্ষয়প্রাপ্ত, ক্ষয়িত (ক্ষীণচন্দ্র);
২. শীর্ণ, কৃশ, রোগা (ক্ষীণকায়);
৩. সরু (ক্ষীণমধ্যা, ক্ষীণকটি);
৪. অত্যল্প, মৃদু; অস্পষ্ট (ক্ষীণ আভাস, ক্ষীণালোক);… [বাকিটুকু পড়ুন]
ক্ষীণচন্দ্র–বি. ক্ষয়প্রাপ্ত অর্থাত্ কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ।
সাম্প্রতিক মন্তব্য